মূল্য

কাস্টম প্রিন্ট অর্ডার ফর্ম

ক্রেতারা আর্টওয়ার্ক আপলোড করে সাইজ, ফিনিশ আর পরিমাণ বাছেন, আর আপনি সেটি দেখে প্রুফ পাঠান।

এতে যা আছে

যে ক্রেতারা “অন্য কিছু” বাছেন, তাঁরা পণ্যটির বর্ণনা দেন; অর্ডারের সঙ্গে সবাই নিজের আর্টওয়ার্ক আপলোড করেন।

  1. 1
    আপনার নাম
  2. 2
    প্রুফ পাঠানোর ইমেইল
  3. 3
    কী প্রিন্ট করব?স্টিকারআর্ট প্রিন্টকার্ডঅন্য কিছু
  4. 4
    কী চান, লিখুনশুধু যদি “কী প্রিন্ট করব?”-এর উত্তর অন্য কিছু হয়
  5. 5
    কোন সাইজ দরকার
  6. 6
    ফিনিশম্যাটগ্লসিহলোগ্রাফিক
  7. 7
    পরিমাণ
  8. 8
    আর্টওয়ার্ক আপলোড করুন

এক উত্তরেই কীভাবে আর্টওয়ার্ক থেকে প্রুফে পৌঁছাবেন

আর্টওয়ার্ক অর্ডারের সঙ্গেই আসে, তাই ইমেইলে ফাইলের পেছনে ছুটতে হয় না। যেকোনো ফাইল আপলোড ফর্মের মতো ভূমিকায় প্রিন্ট সাইজে PNG বা PDF চেয়ে নিন।

দাম ঠিক হয় সাইজ আর পরিমাণ দেখে। দুটোই অর্ডারে থাকলে প্রথম উত্তরেই প্রুফ আর দাম একসঙ্গে পাঠাতে পারেন।

হলোগ্রাফিক আর বিশেষ ফিনিশের দাম বেশি। অপশনের নামে দামের পার্থক্য লিখে দিন, যাতে দাম দেখে কেউ অবাক না হন।

প্রিন্ট অর্ডার নিয়ে প্রশ্ন

ক্রেতারা কোন ধরনের ফাইল আপলোড করতে পারেন?

সাধারণ ছবি আর ডকুমেন্ট ফাইল, যেমন PNG, JPG আর PDF। কোনটি পছন্দ আর কোন রেজোলিউশনে চান তা ভূমিকায় লিখুন, যেমন চূড়ান্ত সাইজে 300 dpi। অর্ডার এলে প্রতিটি ফাইল দেখে নিন। বাছা সাইজে আর্টওয়ার্ক ঝাপসা দেখালে প্রুফের ইমেইলে সেটি জানান আর কিছু প্রিন্ট করার আগে বড় ফাইল চেয়ে নিন।

ক্রেতারা কি অর্ডারের সময়ই টাকা দেন?

না। প্রুফ অনুমোদনের পর তাঁরা আপনার পাঠানো পেমেন্ট লিংক বা ইনভয়েসে টাকা দেন। ফর্মে কোনো পেমেন্ট হয় না, তাই পুরো দামটাই আপনার। বড় অর্ডারে, যেমন 500 বা তার বেশি স্টিকারে, কিছু শপ আগে অর্ধেক টাকা নেয়। ক্রেতা কিছু বদলাতে চাইলে আগে নতুন প্রুফ পাঠান, আর তিনি অনুমোদন দিলে তবেই পেমেন্ট লিংক পাঠান।

3D প্রিন্ট বা এনগ্রেভিংয়ের জন্য কি এটি চলে?

হ্যাঁ। পণ্য আর ফিনিশগুলো আপনার উপকরণ অনুযায়ী বদলে নিন, আর মডেল বা ডিজাইন ফাইলের জন্য আপলোডটি রাখুন। প্রতিটি উপকরণের অপশনে দাম লিখুন, যেমন PLA বা আখরোট কাঠ, যাতে দামে কোনো চমক না থাকে। সাধারণ একটি কাজে কত সময় লাগে তা ভূমিকায় লিখুন, যেমন পাঁচ কর্মদিবস, যাতে ক্রেতারা উপহারের জন্য সময়মতো অর্ডার দেন।